তিতাস বিধৌত ঐতিহ্যবাহী নবীনগর- বহু গুনীজনের পুণ্যভূমি । এই পুণ্যভূমির কেন্দ্রস্থলে উজ্জ্বল দীপশিখার ন্যায় দাঁড়িয়ে আছে নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়টি। কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অজ্ঞানতার তিমিরে নিমজ্জিত শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত নারী গোষ্ঠীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার গুরু দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ১৯৩৬ সাল থেকে বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অনেক জ্ঞানী-গুণী ও আদর্শবান ব্যক্তিত্ব এ বিদ্যালয়টি পরিচালনায় ও শিক্ষকতার মহান দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত ছিলেন। তাঁদের সকলকে শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করছি। আমার পরম সৌভাগ্য যে মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহের বানীতে যে প্রতিষ্ঠানে আমার হাতে খড়ি ছিল সে প্রতিষ্ঠানে আমি সহকারী শিক্ষক থেকে বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছি।

শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ত্রিমাত্রিক সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় এই জ্ঞানালোকে মুকুলিত হয়েছে অনেক পুষ্পিত স্বপ্ন। এ আলোকিত বিদ্যাপীঠের গৌরবদীপ্ত ইতিহাস ও ৮৩ বছরের সাফল্য প্রতিষ্ঠানটিকে নানাদিক দিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছে। শিক্ষার্থীদের প্রতিভা ও মেধা বিকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশে নৈতিক শিক্ষা এবং আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর মান সম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করনের দৃঢ় অংগীকার নিয়ে আমার যে পথ চলা তাতে সকলের সহযোগিতা ও আশীর্বাদ কামনা করছি।

শিক্ষাকে আনন্দের খোরাক হিসেবে পরিনত করতে পারলেই প্রতিটি শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং আত্মপ্রকাশের সুযোগ ঘটবে। দক্ষ যোগ্য মেধাসম্পন্ন ও কর্মদক্ষ জনশক্তিতে পরিনত হবে বাংলাদেশ।

  • কাউছার বেগম
  • প্রধান শিক্ষক
  • নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ।